|

ভালুকায় স্কুল শিক্ষকের হস্থক্ষেপে বাল্য বিবাহ বন্ধ

প্রকাশিতঃ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৪, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্ট, ভালুকার খবর: ভালুকার হালিমুননেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা নীনা‘র হস্থক্ষেপে বাল্য বিবাহ থেকে রক্ষা পেলো ওই স্কুলের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার (১৩)। সে উপজেলার ধামশুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার মেয়ে।

জানা যায়, আগামী শুক্রবার হালিমুননেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী তানিয়া আক্তারের বিয়ে ঠিক হয়। পরে লোকমুখে খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাড়িতে বাল্য বিয়েটি বন্ধ করতে যায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা নীনা। পরে মা বাবাকে বিয়ে দেওয়ার কারন জিঙ্গেস করলে এক পর্যায়ে লেখা পড়া করার খরচ বহন করতে কষ্ট হচ্ছে বলে বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে জানান। পরে ওই শিক্ষিকা মেয়েটির পড়াশুনা সহ সকল খরচ বহন করবে বলে কথা দেন মেয়ের পরিবারকে। তারপরও যেন  মেয়েটিকে বিয়ে দেওয়া না হয় সেজন্য অনুরুধ জানান মেয়ের মা-বাবকে।

হালিমুননেছা চৌধুরাণী মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনোয়ারা নীনা জানান, ডিজিটাল যুগটাকে যদি এখনো অভিভাবক গণ প্রাচীন রোম ভাবে তবে এটা মোটেও ঠিক হবে না। এসব অভিভাবকদের কঠিন শাস্থির দাবী করছি। অভিভাবককে জিজ্ঞেস করলাম কি অন্যায় এই মেয়েটির? আপনার ছেলে পড়াশুনাা করতে পারবে মেয়েটি কেন পারবে না? বললো মেয়েকে তো পরের বাড়ি যেতেই হবে। বৃদ্ধ বয়সে এই ছেলেই তাদের দেখাশোনা করবে। শুনে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। আমি মোটামোটি ভয় দেখিয়ে আসছি। বিয়ে হলে এই সেই করবো। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মেয়েটির সকল খবর বহন করবো বলে কথা দিয়েছি। এখন প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে হয়তো মেয়েটিকে রক্ষা করা যাবে।

 

Print Friendly, PDF & Email