|

‘বাতির নিচের অন্ধকার’ ঘুচাতে চান খোকন ঢালী

প্রকাশিতঃ ৫:৪৯ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১৪, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক, ভালুকার খবর: কালের স্বাক্ষীবহনকারী খিরু নদির দুই তীরে ও ভালুকা বাজার নিয়ে গড়ে উঠা একসময়ের ৬নং ভালুকা সদর ইউনিয়ন। সময়ের প্রয়োজনে এই ইউনিয়নের সিংহভাগই আজ ভালুকা পৌরসভার আওতাধীন। অবশিষ্টাংশে যতটুকু রয়েছে উন্নয়নের দিক থেকে তা অনেকটাই পিছিয়ে। হয়নি কাংক্ষিত উন্নয়ন। এই ইউনিয়নের নাম অনুশারে ভালুকা থানা ও উপজেলার নমকরণ হলেও অনুন্নতই রয়ে গেছে এ জনপথটি। অবহেলিত এ জনপথকে ‘বাতির নিচের অন্ধকার’ আখ্যা দিয়ে বিদ্রুপ করতেও শুনা যায় মাঝে মাঝে। তরুণ প্রজন্মের দাবি এ ‘অন্ধকারকে’ ‘আলোতে’ রুপান্তরিত করার। ইউনিয়নবাসীর এ দাবি বাস্তবায়ন করতে চায় তরুণ নেতৃত্ব খোকন হোসেন ঢালী।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ‘বাতির নিতের অন্ধকার’ ঘুচাতে খোকন হোসেন ঢালীর ‘বিকল্প নেই’ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিএনপি অধ্যশিত এ জনপদে বিজয়ী করতে ব্যাপক জনপ্রিয় ব্যাক্তিকেই নৌকার মনোনয়ন দিতে হবে বলে অভিমত ব্যাক্ত করেছেন  স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা।

এদিকে একাধিক ব্যাক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাসী পরিবার ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আক্তার হোসেন ঢালীর ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খোকন হোসেন ঢালী জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে বেশ এগিয়ে রয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই পছন্দের ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে দেখার প্রত্যাশা সমর্থকদের বেড়েই চলেছে। তাই আসন্ন ভালুকা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে খোকন ঢালীকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সাবেক এ জনপ্রিয় ছাত্রনেতা। বলিষ্ঠতা, দক্ষতা ও সততার কারনে তার সুনাম সর্বজনবিদিত। নির্বাচনী মাঠে তিনি সবার পরিচিত ও সদা হাস্যজ্জোল মানুষ। এলাকার যে কোন মানুষ সমস্যায় পড়লে ছুটে যান তিনি। মানুষের বিপদে রাত দুপুরে ছুটে গেছেন বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে। বিয়ে, অভাবী, কর্মহীন মানুষকে কাজ দেয়া, যুবসমাজকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত-ক্রীড়ামোদী করে গড়ে তোলা, এলাকার উন্নয়নে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই ছিলো তার কাজ। তিনি বিশ্বাস করেন ব্যক্তিগত সহযোগিতা দিয়ে সমাজ ও সমাজের মানুষের সব সমস্যা সমাধান করা যায়না। সেজন্য জনপ্রতিনিধি হলে ভালো হয়। তাই আসন্ন ভালুকা সদর ইউনিয়নে সকল বয়সী ও শ্রেনী পেশার মানুষের সেবা করতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন ও নৌকার মাঝি হিসেবে খোকন হোসেন ঢালীকে দেখতে চায় এলাকাবাসী।

এলাকার বিভিন্ন বয়সের মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দক্ষ সংগঠক, নিরাহংকার ব্যক্তি ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে তারা খোকন হোসেন ঢালীকে তাদের মূল্যবান ভোট দিতে চায়। তারা বলেন, ভালুকা ইউনিয়নের উন্নয়নে তার বিকল্প নাই। তাই এলাকার যুবসমাজ, ছাত্র শিক্ষক, কৃষক, জেলে, শ্রমিক, বৃদ্ধ-বণিতাসহ সকল শ্রেনী-পেশার মানুষ শৈশবকাল থেকে রাজনীতিতে নিবেদিত প্রাণ খোকন হোসেন ঢালীর পক্ষে সকলেই এবার ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রচার প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন। তারা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ^স্থ কর্মী বিচার বিশ্লেষন করে খোকন হোসেন ঢালীকে নৌকা প্রতীক দিলে অবশ্যই তিনি বিজয়ী হবে। এতে করে আওয়ামীলীগের সুমাম ঐতিহ্য টিকে রাখতে ও ইউনিয়নে উন্নয়নের নব দিগন্ত সৃষ্টি হবে বলে প্রত্যাশা করছেন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

তাই সমাজের সার্বিক উন্নয়নে এবারের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আবারো প্রার্থী হয়ে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে মাঠে নেমেছেন। সবসময় সকল কর্মকান্ডে জনগনের অংশ গ্রহন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ আধুনিক ইউনিয়ন গঠন করতে চান তিনি। একই সাথে মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্ণীতি প্রতিরোধসহ জনসচেতনতামুলক কর্মসুচি গ্রহন করতে চায়।

এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন প্রসঙ্গে খোকন হোসেন ঢালী বলেন, আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সংগঠন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে ছাত্রজীবন থেকেই জড়িত। আমি ভালুকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ইউনিয়নে পরিণত করতে চাই, সেইসাথে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা, উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বিনির্মাণে সহযোগীতা করতে চাই। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল ইউনিয়ন গঠনসহ সকল কর্মকান্ডে জনগনের অংশগ্রহন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হবে আমার লক্ষ্য। সারাদেশের মধ্যে সন্ত্রাস, দূর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হবে ভালুকা সদর। সৎ যোগ্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার খোকন হোসেন ঢালী বলেন, ‘সংগঠন আমাকে নৌকা প্রতীক দিলে অবশ্যই আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবো ইনশাআল্লাহ।’  

Print Friendly, PDF & Email