|

ভালুকায় জেঁকে বসেছে শীত, ব্যস্ততায় লেপ-তোষকের কারিগর

প্রকাশিতঃ ১:৪৪ পূর্বাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯

এস এম মিজানুর রহমান মজনু, স্টাফ রিপোর্টার ভালুকার খবর: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। ফলে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে একদিকে যেমন বেড়েছে গরম কাপড়ের চাহিদা। অপরদিকে সাধারণ মানুষ ভিড় করছেন লেপ-তোষকের দোকানগুলোতে। এতে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছে লেপ-তোষকের কারিগররা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ভালুকা উপজেলা শহরের দোকানগুলোতে কাপড় ও তুলার মান বুঝে নির্ধারণ করা হচ্ছে লেপ-তোষকের দাম। বাজারে প্রতি কেজি গার্মেন্টের সাদা তুলা ৬০ থেকে ১২০ টাকা, কালো তুলা ৪০ থেকে ৮০ টাকা, শিমুল তুলা ৫শ থেকে ৬শ টাকা এবং কার্পাস তুলা ২শ টাকা থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ দিকে, সিঙ্গেল (৩ থেকে ৪ হাত) লেপ-তোষক দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৪শ টাকা এবং ডাবল (৫ থেকে ৬ হাত) লেপ-তোষক দুই হাজার ৫শ থেকে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে কাপড়, তুলা এবং মানের দিক বিবেচনা করেই ক্রেতারা তাদের চাহিদামতো দামদর করে কিনছেন। 

অপরদিকে কারিগরেরা প্রতিটি লেপের মজুরি বাবদ পান ২শ থেকে ৩শ টাকা। তবে কাপড় ও তুলার দাম বেশি হওয়ায় এ বছর লেপ-তোষকের দাম একটু বেশি। তারপরও চাহিদার কমতি নেই ক্রেতাদের।

ভালুকা বাজারের পুরাতন ব্যবসায়ী মো. সুজন কাজী জানান, এখন বেশ শীত পড়েছে। তাই লেপ-তোষক তৈরির অনেক অর্ডার পেয়েছি। আমার দোকানের কারিগররা সকাল থেকে রাত ১০টার পর্যন্ত কাজ করছে।

লেপ-তোষকের তৈরির কারিগরর মো. শফিকুল ইসলাম, শাহজাহান মিয়া, সিদ্দিক মিয়া, মোস্তফা, প্রণয় দাস, মো. শরিফুল ইসলাম ও আবুল হোসেন জানান, শীত বেশি হওয়ার কারণে লেপ-তোষকের চাহিদা বেড়েছে। আমরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাজ করছি। এমনকি ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়ারও সময় পাচ্ছি না।

তারা আরও জানান, সারা বছর আমাদের তেমন কাজ না থাকলেও শীতের শুরু থেকে আমরা ব্যস্ততা থাকি লেপ-তোষক তৈরিতে। বর্তমানে শীতের প্রকোপ বেশী হওয়ায় ভিড় বেড়েছে দোকানে। ফলে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উল্লেখ্য, ভালুকা উপজেলা পৌর শহর এলাকায় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি লেপ-তোষকের দোকান রয়েছে। এসব দোকানের কারিগররা এখন খুবই ব্যস্ত সময় পার করছেন।


Print Friendly, PDF & Email