ভালুকায় আ’লীগের অফিস দখল করে বিএনপি নেতাদের নিয়ে মিটিংয়ের অভিযোগ
প্রকাশিতঃ ৪:২৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ০৬, ২০১৯
স্টাফ রিপোর্ট, ভালুকার খবর: ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান বাজারে অবস্থিত ৩ নম্বর ওয়ার্ড আ’লীগের অফিসের তালা ভেঙে দখলে নিয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে স্বদলীয় কতিপয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ। পরে বিএনপির বেশ কিছু স্থানীয় নেতাকর্মীর সাথে অফিসে আলোচনা হয়।
৩ নম্বর ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ওরফে ইসলাম মেম্বার জানান, ‘তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই ওয়ার্ডের আ’লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একটি পক্ষ বহুদিন ধরে তাকে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। এক বছর আগে বহু চেষ্টা করে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে আধাপাকা একটি ঘর নির্মাণের পর সার্বিক আশপাবপত্র সংগ্রহ করে ওয়ার্ড আ’লীগের অফিস হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। ২ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে স্থাণীয় আ’লীগ সমর্থনকারী আনোয়ার হোসেন ওরফে আনার, রবিন, ওলিউল্লাহ পাঠান ও শামীমের নেতৃত্বে কতিপয় স্বদলীয় নেতাকর্মী বেআইনীভাবে তালা ভেঙে অফিসটি দখলে নেয়’।
এ সময় স্থানীয় বিএনপির নেতানুরুল ইসলাম, মোমেনুল ইসলাম মোমিন, ‘হুমায়ূন কবীর, আব্দুল বারেক, সোহেল, আব্দুল হেকিম ও মফিজউদ্দিনসহ ১৪/১৫ জন লোককে নিয়ে বৈঠক করা হয়। কি বিষয় নিয়ে আ’লীগের ওই নেতাকর্মীরা বৈঠক করেছে তার আমার জানা নেই। তবে তালা ভাঙার ঘটনাটি থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তাফাসহ ইউনিয়ন আ’লীগের নেতৃবৃন্দ্বকে অবহিত করা হয়েছে’।
এ ব্যাপারে আনোয়ার হোসেন আনার তালা ভাঙ্গার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘দলীয় অফিসটি প্রায় সময়ই বন্ধ থাকে তাই নেতাকর্মীরা বসতে পারেনা। ঘটনারদিন অতিউৎসাহী নেতাকর্মীরা তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছে। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় মেম্বার লিটন বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে অফিসে এসেছে, শুনেছি, স্থানীয় সিপি পোল্ট্রি ফার্মের মুরগীর বিষ্টা বিক্রির টাকা ভাটভাটোয়ারা নিয়ে আলোচনা হয়েছে’।
স্থাণীয় আ’লীগ নেতা রবিন তালা ভাঙার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘অফিসে দলীয় কথাবার্তা হয়েছে।
বিএনপি নেতা মোমিনুল ইসলাম মোমিন বলেন, তাদের বেশ কয়েকজনকে অফিসে ডাকা হয়েছিলো আমাদের বাড়ির পাশে গড়ে উঠো সিপির বিষ্টা বিক্রির টাকা ভাগবাটোয়ার ব্যাপারে। কিন্তু আলোচনা ফলপ্রসূ হয়নি। তাই আমরা পরে চলে এসেছি’।
স্থাণীয় মেম্বার লিটন জানান, ‘সিপি পোল্ট্রি ফার্মের মুরগীর বিষ্টা বিক্রির টাকা আশপাশের লোকজনওস পেতো। বর্তমানে তাদের ওই টাকা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাই তাদেরকে নিয়ে স্থানীয় আ’লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে ভাটভাটোয়ারা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনায় তেমন কোন ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত হয়নি’।


