ভালুকা ক্রিড়া শিক্ষা একাডেমীর সাফল্য, ২ খেলোয়াড় জেলা টিমে খেলার সুযোগ
প্রকাশিতঃ ১:৫৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২১, ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক, ভালুকার খবর: ভালুকা ক্রিড়া শিক্ষা একাডেমী, ধামশুর এর দুই জন প্রশিক্ষনার্থী ২০১৯-২০ মৌসুমে ময়মনসিংহ জেলা অর্নুধ ১৮ টিমে খেলার জন্য প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হয়েছে।
একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক কায়সার আহম্মেদ জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নিয়ে এলাকার দুইজন খেলোয়ার ময়মনসিংহ অর্নুধ ১৮ টিমে খেলার জন্য প্রাথমিক ভাবে বাছাই হয়েছে। ডানহাতি মিডিয়াম স্পেস বলার হিসেবে উপজেলার সাতেঙ্গা গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে খাদিমুল ইসলাম ও হাজীর বাজার গ্রামের রিয়াদ আহম্মেদ লেগ স্পিনার হিসেবে খেলার জন্য প্রাথমিক ভাবে ডাক পেয়েছে।
খেলোয়ারদের জেলা টিমে ডাক পাওয়ায় তিনি খুবই আনন্দিত। তিনি আশা করেন, দলে সুযোগ পাওয়ারা তাদের সেরাটা দিয়ে একাডেমির সুনাম বয়ে আনবে।পাশাপাশি শিক্ষানবিশ নতুনরা তাদের দেখে অনুপাণিত হবে। তিনি আরও বলেন, যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি একাডেমী শুরু করেছিলেন একটু একটু করে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।
ভালুকা বয়েস ক্লাব সভাপতি এস.এম গোলাপ বলেন, ‘সবেমাত্র সফলতা শুরু হয়েছে। আমি আশা করি তারা এই ধারা ধরে রাখতে পারলে ভালুকা ক্রিড়া শিক্ষা একাডেমি আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে’।
উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কারপ্রাপ্ত জনাব শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে। যুব সমাজকে খারাপ কাজ থেকে খেলাধুলা অনেকটা দূরে রাখে বিধায় আমি তাদের সফলতা কামনা করি।
ময়মনসিংহ রবি-চাঁন ক্রিকেট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও ভালুকা ক্রিড়া শিক্ষা একাডেমির খন্ডকালীন কোচ চন্দন পাল বলেন, ‘যে দুইজন খেলোয়ার চান্স পেয়েছে, তারা প্রতিভাবান খেলোয়ার, তাদের দেখে মনে হয়েছিল তারা অনেক দূর যাবে, একাডেমির প্রশিক্ষন ও তাদের চেষ্টায় তারা যে সুযোগ পেয়েছে, তাতে আমি আনন্দিত। অনুশীলনের প্রতি আরও মনযোগ দিলে একাডেমি থেকে আরও ভাল ভাল খেলোয়ার তৈরী হবে বলে আমার বিশ্বাস’।
উল্লেখ্য, সর্ম্পুন ব্যক্তি উদ্যোগে ভালুকা উপজেলার ধামশুর গ্রামে ধামশুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২০১৬ সালে ভালুকা ক্রিড়া শিক্ষা একাডেমি নামে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। ভাল মানের ক্রিকেটার তৈরীর উদ্দেশ্যে একাডেমি নিরলসভাবে সুযোগ্য কোচের তত্বাবধানে স্থানীয় পর্যায়ে ছেলেদের প্রশিক্ষন দিয়ে আসছে। বর্তমানে প্রায় ৩০/৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত প্রশিক্ষন নিচ্ছে। একাডেমী থেকে প্রতিবছর বিভিন্ন টুর্নামেন্টে, ইভেন্ট ও জেলা পর্যায়ে খেলায় অংশগ্রহণ করে থাকে।


