ভালুকায় ডাক্তারের নির্দিষ্ট ল্যাব থেকে পরিক্ষা না করার জেরে ডাক্তার ও ল্যাব মালিকের হাতাহাতি
প্রকাশিতঃ ৯:২৭ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১১, ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক, ভালুকার খবর: ময়মনসিংহের ভালুকা ৫০ শয্য সরকারী হাসপাতালে ডাক্তারের নির্দিষ্ট ল্যাব থেকে পরিক্ষা না করার জেরে মেডিক্যাল অফিসার ও হাসপাতাল গেটে অবস্থিত এক ল্যাব মালিকের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। জনৈক এক রোগীর রিপোর্ট দেখানোকে কেন্দ্র করে এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ডাক্তার বাদি হয়ে মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে ভালুকা সরকারী হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার ইমরুল কায়সার জনৈক এক রোগীকে কিছু পরীক্ষা করাতে বলেন। এবং তাঁর ভিজিটিং কার্ড ধরিয়ে দিয়ে বলেন, হাসপাতালের সামনে খোদেজা হালিম হাসপাতাল এন্ড ডায়গনোস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষাগুলো করে আনতে। পরে ওই রোগী ডাক্তারের নির্দিষ্ট স্থানে পরিক্ষাগুলো না করিয়ে হাসপাতালের সামনেই বন্ধন ডায়াগনোস্টিক সেন্টার থেে পরীক্ষাগুলো করেন। কিন্তু খোদেজা হালিম হাসপাতাল এন্ড ডায়গনোস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষাগুলো না করিয়ে বন্ধন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে কারার জন্য রিপোর্ট দেখতে ডাক্তার অস্বীকৃতি জানান। ঘটনাটি বন্ধন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের লোকজনদের জানালে তারা ডাক্তারকে বিষয়টি জিজ্ঞাস করেন কেন রিপোর্ট দেখবেন না। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ডাক্তার ও ল্যাব মালিকের মাঝে হাতাতির ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে বন্ধন ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের মালিক আনিছুর রহমান জানান, খোদেজা হালিম হাসপাতাল এন্ড ডায়গনোস্টিক সেন্টারটি ডাক্তার ইমরুল কায়সার তার বাবা মার নামে করেছেন এবং হাসপাতালের সব পরীক্ষা তার ক্লিনিকে করে থাকেন। আমার ডায়াগনোস্টিক সেন্টার থেকে পরীক্ষা করা রিপোর্টগুলো না দেখার কারন জানতে চাইলে তিনি আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।
এ ব্যাপারে ডাক্তার ইমরুল কায়সার তার বাবা মার নামে হাসপাতাল গেটে খোদেজা হালিম হাসপাতাল এন্ড ডায়গনোস্টিক সেন্টারটি করার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ক্লিনিকটি আমার বাবাই পরিচালনা করে থাকেন। তিনি ওখানে চেম্বার করেন মাত্র। তিনি আরো বলেন, বন্ধন ডায়াগনোস্টিকের মালিক তাকে লাঞ্ছিত করায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার মোস্তাক আহমেদের মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ না করায়, তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


