|

ভালুকায় কর্মগুণে ‘জনপ্রিয়’ এসিল্যান্ড রোমেন শর্মা

প্রকাশিতঃ ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ | এপ্রিল ১৪, ২০২০

মো. মোকছেদুর রহমান মামুন, ভালুকার খবর: ময়মনসিংহ ভালুকায় সরকারি কর্মকর্তা রোমেন শর্মা নামটি এখন প্রত্যন্ত অঞ্চলেও জনপ্রিয়তায় স্থান পেয়েছে। তার প্রশাসনিক কর্মদক্ষতা ও যোগ্যতায় নামটি জনপ্রিয়তার কাতারে স্থান পেয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট রোমেন শর্মা (বিসিএস ৩৪ ব্যাচ) ভালুকায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে গত ২ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে যোগদান করেন।

তার যোগদানের পরপরই পাল্টে গেছে ভূমি অফিস। ভূমি বিষয়ক যে কোনো কাজ মানেই দালালের দৌরাত্ম্য। দিনের পর দিন হয়রানি। কর্মচারিদের অবজ্ঞা, বাড়তি খরচ, টেবিল থেকে টেবিলে ঘোরাঘুরি। এই গুলোর সব অবশান ঘটে।

অসাধু ব্যবসায়ী ও অবৈধ স্থাপনাকারীদের টনক নড়তে শরু করে। সরকারি আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে জেল জরিমানার ভয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা সৎ ভাবে জীবন পরিচালনা করতে শুরু করেছেন। তার অধীনে ভালুকার প্রত্যেকটি খাত এখন উন্নয়ন মূখী। কোন প্রকার অবৈধ বা আর্থিক লেনদেন তাকে স্পর্শ করাতে পারেনি। সৎ, দক্ষ ও যোগ্যতায় এসিল্যান্ড রোমেন শর্মার সুনামের সাথে তার কাজ করে যাচ্ছেন। তারপর এই ধারাবাহীকতায় সরকারি নির্দেশনা মতে “করোনা ভাইরাস” ইস্যুতে দায়িত্ব আসে তার কাঁধে। ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক মোঃমিজানুর রহমান এর নির্দেশনা মতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল সার্বিক দিকনির্দেশনায় তার কাজ চলমান রয়েছে।

এসিল্যান্ড ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোমেন শর্মা “করোনা ভাইরাসের” সংক্রমন প্রতিরোধ করতে সারা দেশের ন্যায় জনগনকে হোম-কোয়ারেন্টাইন এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে রাখতে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করে দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার ভিতরের রাখতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভালুকা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিট্রেট রোমেন শর্মা জানান, `ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক মোঃমিজানুর রহমান স্যারের সদয় নির্দেশমতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল স্যারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে জনগন কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে এক্ষেত্রে বিধি নিষেধ অমান্য করে অল্প কিছু লোক যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন কিংবা কিছু দোকানপাট খোলা রেখেছিলেন তাদের প্রতি সচেতনতার আহবান জানিয়ে বারবার সতর্ক করা হয়েছে বলে জানান। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা না মানলে তাদের প্রতি প্রচলিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভালুকা করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় এখানকার জনগণকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাঁদরে বেষ্টিত করতে প্রত্যহ ভোর বেলা থেকে শুরু করে মাঝরাত অবধি আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ভালুকা থানা পুলিশ আমাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এছাড়া প্রতিটা এলাকার স্বেচ্ছাসেবক টিম ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরাও আমাদের পাশে থেকে উপজেলা প্রশাসন কে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। কেউ যেন এই মহামারী ভাইরাস করোনা তে অকালে মৃত্যুবরণ না করে বা কারোর পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সে লক্ষেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি ভালুকা বাসীর কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। ভালুকা বাসীকে এ মহামারী থেকে বাচাঁতে পারলেই বর্তমান সরকারের তথা আমাদের সবার এ পরিশ্রম স্বার্থক হবে। আসুন আমরা সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করি যেন করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।’



Print Friendly, PDF & Email