|

ভালুকায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয় ঘাতকরাঃ গ্রেফতার ২

প্রকাশিতঃ ৬:২৬ অপরাহ্ণ | জুন ১৮, ২০২০

জাহিদুল ইসলাম খান, বিশেষ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ভালুকায় ১৭বছরের এক স্কুলছাত্রীকে দলবেধে ধর্ষণ করার পর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয় ঘাতকরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ২জনকে বৃহস্পতিবার ভোরে গ্রেফতার করেছে ভালুকা মডেল থানা পুলি।

ভালুকা মডেল থানা হতে এক প্রেস রিলিজে জানা যায়, গত ১৪.০৬.২০২০তারিখে উপজেলার খারুয়ালী এলাকার খিরু নদী হতে অজ্ঞাতনামা হাত পা বাঁধা অবস্থায় এক তরুনীর লাশ উদ্ধার করে ভালুকা মডেল থানা পুলি। পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করার পর পুলিশ বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

পুলিশের অধিকতর তদন্তে অজ্ঞাতনামা লাশটির পরিচয় পাওয়া যায়। সে উপজেলার মামারিশপুর গ্রামের ওমর ফারুকের মেয়ে কানিজ ফাতেমা(১৭) বলে সনাক্ত হয়। নিহত কানিজ ফাতেমা স্থানীয় একটি স্কুল হতে এ বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হয়।

পরবর্তীতে পুলিশ হত্যাকান্ডে জরিত থাকার অপরাধে বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার কাঠালী গ্রামের জহির হোসেনের ছেলে মনির হোসেন(২৩) ও আইয়ুব আলী শেখের ছেলে জামাল হোসেন(২৫) গ্রেফতার করে।পুলিশের জিজ্ঞেসাবাদে আসামীরা হত্যা ও ধর্ষণের কথা স্বীকার করে।

তারা জানায়, গত ৩.০৬.২০২০তারিখে তারা ২জন সহ আরও কয়েকজন মিলে রাত ৮টার দিকে ভিকটিম কানিজ ফাতেমা ভালুকা বাজার হতে বাড়ি যাওয়ার পথে জোর পূর্বক ধরে নিয়ে পাশ্ববর্তী একটি জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে কানিজ ফাতেমা ডাক চিৎকার শুরু করলে তাদের ব্যবহ্নত প্যান্টের বেল্ট দিয়ে গলায় প্যাচ দিয়া শ্বাসরোধ করে হত্যা করে হাত পা বেঁধে পাশ্ববর্তী খিরু নদীতে ফেলে চলে যায়।

ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানা, ২জন আসামীকে গ্রেফতার করার পর প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে ধর্ষন ও হত্যার কথা স্বীকার করে। আসামীদের নিকট হতে ভিকটিম কানিজ ফাতেমার ব্যবহ্নত  মোবাইলের সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হলে ফৌঃ কাঃ আইনের ১৬৪ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট জবানবন্দি প্রদান করেন। অন্য আসামীদের গ্রেফতার করার জোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

Print Friendly, PDF & Email